ঢাকা সোমবার, ১৬ই মে ২০২২, ৩রা জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯


চালের বাড়তি দাম ধরে রাখতে ব্যবসায়ীদের নতুন ফন্দি


প্রকাশিত:
২৮ মার্চ ২০২০ ০৯:৩৮

আপডেট:
১৬ মে ২০২২ ২২:১২

সংগৃহীত

করোনা আতঙ্কের ‘সদ্ব্যবহার’ করেছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা। তাদের কারসাজিতে বেড়ে যায় চালের দাম। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও র‌্যাব বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালিয়েও এ অসাধু ব্যবসায়ীদের বাড়িয়ে দেয়া দাম কমাতে পারেনি। বরং চালের বাড়তি দাম ধরে রাখতে নতুন ফন্দি করছে একটা চক্র। অভিযোগ আছে, চালের বাজারে দাম বৃদ্ধির কৌশল হিসেবে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে সেই চক্র।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর চালের দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এই বাড়তি দাম অব্যাহত রয়েছে।

চালের বাড়তি দাম নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিদফতর ও র‌্যাব অভিযান চালালে কিছু কিছু ব্যবসায়ী চালের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে অনেক বাজারেই চালের এক ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রথমে কুষ্টিয়া ও নওগাঁতে চালের দাম বাড়ে। উত্তরাঞ্চলের নওগাঁ এবং কুষ্টিয়া ধান-চালের সবচেয়ে বড় মোকাম হিসেবে বিবেচিত। এই দুই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা চালের বাজারের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করেন। ফলে নওগাঁ ও কুষ্টিয়ার ব্যবসায়ীরা চালের দাম বাড়ালে সারাদেশেই চালের দাম বেড়ে যায়।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৮ টাকা কেজি। একই দামে বিক্রি হচ্ছে নাজিরশাইল। করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার আগে এই দুই ধরনের চাল ৫৪ থেকে ৫৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

সরু চালের পাশাপাশি দাম বেড়েছে গরিবের মোটা চালেরও। পাইজাম ও লতা চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, যা করোনা আতঙ্কের আগে ছিল ৪২ থেকে ৪৮ টাকা কেজি। স্বর্ণা চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি, যা করোনাভাইরাস আতঙ্কের আগে ছিল ৩২ থেকে ৩৫ টাকা।

চালের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে রামপুরার এক ব্যবসায়ী বলেন, সপ্তাহ দুই আগে করোনাভাইরাস আতঙ্ক মানুষের কেনাকাটা বেড়ে যায়। এ সময় হঠাৎ করেই আড়তে সব ধরনের চালের দাম বেড়ে যায়। আর চালের আড়তদাররাও এ সুযোগে সরবরাহ কমিয়ে দেয়। ফলে দাম কমার সুযোগ হয়নি। ফলে দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়। চালের এই দাম পরিকল্পিতভাবে বাড়ানো হয়েছে। কারণ চালের দাম নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব অভিযানে নামার পর বড় বড় চাল কোম্পানির চাল পাওয়া যাচ্ছে না। রশিদের চাল ১০ দিনের বেশি হয়ে গেছে আমরা কিনতে পারছি না। চালের বাজারের বড় অংশই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এই ব্যবসায়ীর।



বিষয়: চাল


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top