ঢাকা বুধবার, ১৪ই এপ্রিল ২০২১, ২রা বৈশাখ ১৪২৮


করোনা মহামারীর চূড়ান্ত ধাপে বাংলাদেশ, সাবধানতার ৬ দিন


প্রকাশিত:
৩১ মার্চ ২০২০ ১১:১০

আপডেট:
১৪ এপ্রিল ২০২১ ০৯:৪৯

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ করোনা মহামারীর চূড়ান্ত ধাপে প্রায় পৌঁছে গেছে। এটি সর্বচ্চো আগামী ৬ দিন অতিবাহিত করবে। এখন দরকার সর্বাধিক সতর্কতা ও কোয়ারেন্টিন। এরপর আর সাবধানতার কোনো সুযোগ নেই, সাবধান হয়েও কোনো লাভ নেই। এরপর আর সাবধান হওয়ার প্রয়োজনও নেই।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ভাইরোলজিস্ট ডা. মোহাম্মদ জামাল ঊদ্দিন এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। তার বার্তা অনুযায়ী, বাংলাদেশে করোনা মহামারীর তৃতীয় ধাপে প্রায় পৌঁছে গেছে। এটি আর সর্বাধিক আগামী ৬ দিন অতিবাহিত করবে। এ সময় মোট সংক্রমিতদের ৪০-৫০ শতাংশ কোনো লক্ষণ ছাড়াই ভাইরাসটি বহন করবে এবং অন্যকে নীরবে-নিভৃতে সংক্রমিত করবে। রোগটি আক্রান্ত হওয়া সবার মাঝেই সাধারণ সর্দিকাশি, গলাব্যাথা আর জ্বরসহ উপস্থাপিত হবে। ভাইরাসজনিত রোগটির অস্বাভাবিক বিস্তার বা আক্রান্ত হওয়া ঠেকাতে সবার জন্যই সর্বাধিক সাবধানতা অবলম্বনের এটিই চূড়ান্ত আর শেষ সময়।

এদিকে ডা. মালিহা মান্নান আহমেদ লিখেছেন, ‘কর্তৃপক্ষ তাদের ১৪ দিন স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি থাকার নির্দেশ দিয়েছে। এর অর্থ হলো তাদের অবশ্যই নিজ বাড়িতে থাকতে হবে এবং ওই ১৪ দিনের মধ্যে তারা বাড়ির বাইরে বের হতে পারবেন না।’

এই ১৪ দিনের গুরুত্ব কী?

করোনাভাইরাসের বংশবিস্তারে সময় লাগে ৫.৫ দিন। আক্রান্ত হওয়ার ১২ দিনের মধ্যে মানুষের শরীরে এর লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। লক্ষণ দেখা যাক বা না যাক আক্রান্ত মানুষ ভাইরাসটির বিস্তার ঘটাতে সক্ষম। এর অর্থ হলো আক্রান্ত হওয়া থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি সংক্রমণের বিস্তার ঘটাতে পারে। সে কারণে কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের শরীরে ১৪ দিনের মধ্যে সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তাদের মধ্যে যদি লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার আগে তাদের অবশ্যই সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।

গত দুইদিনের পর আজ নতুন করে আরো ১ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর মহাখালীতে অনলাইন প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে এ তথ্য জানান রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top